বিশেষ প্রতিনিধি:
ফেনীতে ফসলি জমির টপসয়েল কাটা প্রতিরোধে মাঠে সক্রিয় প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে বুধবার মধ্যরাতে দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ও রাজাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় মাটি কাটার সাথে জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। এসময় মাটি পরিবহনে জড়িত ২টি ট্রাক জব্দ ও ২টি এস্কেভেটর অকেজো করা হয়। দাগনভূঞা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের চৌকস টিম সহযোগিতা করে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহিদুল আলম জানান, কৃসি জমির মাটি রক্ষায় এ ধরণের অভিযান চলমান থাকবে। কোন গোষ্ঠী বা পক্ষকে এ সুযোগ দেয়া হবেনা বলেও জানান তিনি।
এর আগে জেলা প্রশাসক মনিরা হক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ফসলি জমির টপসয়েল কাটা প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন।

উল্লেখ জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু তার নির্বাচনী এলাকা দাগনভূঞা ও সোনাগাজী উপজেলায় ফসলি জমির মাটি কাটা প্রতিরোধে প্রশাসনকে সক্রিয় থাকার অনুরোধ জানান। একইভাবে ফেনী-১ আসনের এমপি মুন্সি রফিকুল আলমও তার নির্বাচনী এলাকায় কৃষি জমির মাটি কাটা বন্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তবে ফেনী-২ আসনের এমপি একই সভায বলেছিলেন কেয়ামত পর্যন্ত মাটি কাটা বন্ধ হবেনা কারন দালান নির্মাণে ইটের প্রয়োজন আছে। এরইমধ্যে মাটি কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ছাগলনাইয়ায় হোনা মিয়া নামে যুবদলের এক নেতা নিহত হয়। ফেনী সদর উপজেলার শর্শদিতে ছাত্রদলের এক নেতার বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে যুবদল ও আওয়ামী লীগ কর্মীরা। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রতিদিনই সংঘাত লেগে আছে।
