নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চুরি, ছিনতাই,ডাকাতি রোধে ২০২৩ সালে এই সড়কে ২৫০কি.মি জুড়ে বসানো হয় ১৪২৭টি ক্যামেরা।
খরচ হয় ১৫২কোটি ৫৬লাখ টাকা।
এবার মহাসড়কের দুইপাশে ৭শতাধিক ক্যামরায় সংযোজন করা হচ্ছ এআই প্রযুক্তি।
ফেনী অংশের ২৭ কিলোমিটারের দুইপাশে ১৬টি স্থানে স্থাপন করা হয়েছে ১৬টি এআই ক্যামেরা।
এই ক্যামেরার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা হবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা।
আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্তের পর সংশ্লিষ্ট যানবাহনের নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হবে মামলার তথ্য।
মামলার তথ্য পাওয়ার পর নির্ধারিত পদ্ধতি মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ, নগদসহ অনুমোদিত মাধ্যমে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করা যাবে।
এই সিস্টেমের সুফল আনতে সড়কের দুইপাশে আলাদা সার্ভিস লাইন চালু, সব মহলের সচেতনতা জরুরী বলছে যাত্রী সাধারণ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।
ভক্সপপ-১_৩
হাইওয়ে পুলিশ বলছে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও চুরি ছিনতাই রোধে কার্যকর ভুমিকা রাখবে এআই প্রযুক্তি ক্যামরা। একইসাথে চালুকরা হচ্ছে সয়ংক্রিয় জরিমানা পদ্ধতি।
সট: পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশ। (নাম ও পদবি ব্যবহার দরকার নাই)
পে-অফ: গত দশ বছরে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের রপ্তানি পন্য পরিবহনে অন্তত ২শ’ টি চুরির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের দাবী ডিজিটাল নজরদারি জোরদারে এ ধরনের ঘটনা কমবে।
