বিশেষ প্রতিবেদক :
মেয়ের কবিরাজি চিকিৎসা করানোর কথা বলে ফেনীর পরশুরামে এসে এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

( ছবি ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত)
ভুক্তভোগী নুর জাহান নামে ওই নারীর বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামে বসবাস করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লাকি ও লিমা নামে দুই নারীর সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে বুধবার বিকেলে পরশুরামের এক কবিরাজের কাছে মেয়ের চিকিৎসা করাতে আসেন নুর জাহান। পরশুরামের সিএনজি স্টেশনে নামার পর কয়েকজন ব্যক্তি তাকে কবিরাজের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাতে থাকেন।
একপর্যায়ে রাত হয়ে গেলে ওই নারীকে একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। সেখানে ৪-৫ জন যুবক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে তার সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্রও নিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ফজরের আগে সড়কে ওই নারীকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান তিনি। পরে তাকে উদ্ধার করে একটি নিরাপদ স্থানে রাখা হয়। ভোর হলে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বিষয়টি জানানো হয় এবং একপর্যায়ে তাকে পরশুরাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ বিষয়ে পরশুরাম থানা পুলিশ ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ঘটনার পেছনে প্রকৃত ঘটনা কী এবং কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
