ফেনী প্রতিনিধি, জনতার কণ্ঠ :
ফেনীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে নির্মাণাধীন বাড়ির বালুর নিচে পুতে রাখার অভিযোগ করছে স্বজনরা।
ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের চোছনা গ্রামের নির্মাণাধীন একটি ভবনের কক্ষ থেকে রিনা বেগম (৪০) নামে এক গৃহিণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ মে) রাত আটটার দিকে নির্মাণাধীন বাড়ির বালির স্তূপের নিচে চাপা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাতে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শর্য্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

স্বজনদের অভিযোগ তারা প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নতুন বাড়ির নির্মাণ শ্রমিক সাইফুল রিনা বেগমকে মেরে বালিচাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।
নিহত শিরিন বেগম শর্শদীর ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজারের মোঃ মানিক মিয়ার স্ত্রী। তার ২ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে। তার স্বামী বর্তমানে সৌদি আরবে রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানায় সৌদি প্রবাসী মো. মানিক মিয়ার পরিবার গত ১০ বছর ধরে শর্শদী ইউনিয়নের মোহাম্মদ আলী বাজারে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। তার পাশে জমি ক্রয় করে একটি বাড়ি নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
নিহতের ছেলে রাজু জানান, মঙ্গলবার বিকেলে তার মাকে বাসায় না পেয়ে তাদের নতুন নির্মাণাধীন বাড়িতে খোঁজতে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন সাইফুল নামের একজন শ্রমিক কাজ করছে, তাকে তার মায়ের বিষয় জানতে চাওয়া হলে সে দেখেননি বলে জানান।
পরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য মতে তার মায়ের মরদেহ বালুর নিচে দেখতে পান।
ফেনী মডেল থানার ওসি ফৌজুল আজিম জানান, প্রবাসী মোহাম্মদ মানিকের স্ত্রী রিনা বেগম তার তিন ছেলে-মেয়ে নিয়ে চোসনা গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। পাশেই জায়গা কিনে নতুন বাড়ি করছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলে নির্মাণাধীন বাড়ির কাজ দেখাশোনা করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তিনি।
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে নির্মাণাধীন ঘরে বালি চাপায় অবস্থায় রিনা আক্তারের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে তদন্ত করছে পুলিশ।
