ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ বিথী আক্তারকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী সাইফুল ইসলামকে সোমবার সন্ধ্যায় আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক কলহের জেরে দীর্ঘদিন ধরে বিথী আক্তারের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন স্বামী সাইফুল ইসলাম। সোমবার দুপুরেও তাকে মারধর করা হয়।

বিথীর ভাই তরিফুল ইসলাম সজিব বলেন , আজ বিকেলে আমার বোনকে ফোন দিলে ফোন না ধরায় বোন জামাইকে ফোন দেই। বোন জামাই ফোন ধরে বলে, তোর বোনকে মেরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুঁলিয়েছি। তাড়াতাড়ি হাসপাতালে আস। আমি ছাগলনাইয়া হাসপাতালে এসে দেখি জরুরী বিভাগে আমার বোনের লাশ পড়ে আছে।
নিহতের স্বজনরা দাবি করেন, এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু নয়; পরিকল্পিতভাবে নির্যাতনের মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি নেন।
অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে জানিয়েছে ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো: শাহীন মিয়া।
তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্ত শেষে বলা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ।
মৃত বিথীর বাবার বাড়ি ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ড ও স্বামীর বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার মোটুবি ইউনিয়ন লস্করহাট মধ্যম লক্ষিপুর গ্রামে। এক সন্তানের মা বিথী পশ্চিম ছাগলনাইয়া ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
